Buy Smartphone with Bkash EMI

Buy Smartphone with Bkash EMI

স্মার্টফোন এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে অতীব প্রয়োজনীয় এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে দাড়িয়েছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকেই ভালো মানের একটি স্মার্টফোন একবারে নগদ টাকায় পেমেন্ট করে কেনার কথা ভেবেও উঠতে পারি না। বাধ্য হয়ে অনেকেই হয়ত এখনও বাটন ফোনে আছি নয়ত একটি পুরনো ফোনে সময় পার করছি নয়ত কোন সস্তা কমদামী ফোন ব্যবহার করছি। যারা সরকারী চাকরী করে এবং যাদের অফিশিয়াল ক্রেডিট কার্ড রয়েছে তাদের জন্য ভাল ফোন খুব সহজে পাবার সুযোগ ও রয়েছে। ব্যপার টা হচ্ছে খানিকটা তৈলে মাথায় তৈল দেবার মত।

যাহোক বন্ধুরা, দুশ্চিন্তার দিন বুজি এবার শেষ হলো। এখন থেকে আপনিও চাইলে ভাল ব্রান্ডের মন মত পছন্দ করে ভাল কনফিগারের একটা স্মার্টফোনের মালিক হতে পারবেন। এবং সেটিও খুব সহজেই হবে।

ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কিস্তিতে ফোন পাবার গল্প তো সকলেই জানি। কিন্ত আমি সে গল্প আপনাদের শোনাতে আসি নাই। আজকের সুখবরটি হচ্ছে ক্রেডিট কার্ড ছাড়া কিস্তিতে ফোন পাবেন Cardless EMI সিষ্টেমের মাধ্যমে। হ্যা ঠিকই শুনেছেন। নভেম্বর ও ডিসেম্বর ২০২৫ থেকেই বেশ কিছু ফোন কোম্পানী বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ড ছাড়াই বিকাশের কয়েকটি সহজ কিস্তিতে অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি গ্যারান্টি সহ ফোন নেবার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য নামগুলি হচ্ছে ইনফিনিক্স Infinix, টেকনো Tecno, আইটেল itel অনার Honor কোম্পানীগুলি

বিকাশ পেমেন্ট এর কিস্তির মাধ্যমে ফোন কেনাটা এখনও অনেকের অজানা। তবে দিনকে দিন বিষয়টি অনেক সহজ ও সুন্দর হয়ে দাড়িয়েছে। আপনিও যদি একটি ফোন কিস্তির মাধ্যমে নিতে চান তাহলে আর দেরী কেন, সামান্য কিছু সহজ শর্তে আপনিও আপনার পছন্দের ফোনটির মালিক হয়ে যেতে পারেন। এবারে চলুন জেনে নিই কি কি লাগবে কিস্তিতে ফোন নিতে হলে:

  • আপনার নামের আইডি কার্ড।
  • আপনার নিজের বিকাশ একাউন্ট, এবং তাতে কমপক্ষে ১০০০ টাকার উপড়ে লেন দেন রয়েছে।
  • ফোনের দামের উপড় ভিত্তি করে প্রথম ডিপোজিট বা ডাউন পেমেন্ট।

বর্তমান সময়ে উপড়ের ৩ টি শর্ত পূরন করা কোন ব্যপারই না। সহজ মানে সহজ উপায়। গুছিয়ে নিন সামান্য কিছু প্রাথমিক ডিপোজিটের টাকা। ধরুন আপনি ১০ হাজার টাকার একটা ফোন নিবেন সেক্ষেত্রে হয়ত প্রথমে ডিপোজিটে ১৫০০ থেকে ২০০০ টাকার মত প্রয়োজন হবে। যদি ৩০,০০০ টাকার ফোন পছন্দ করেন তাহলে শুরুতে হয়ত মাত্র ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকার মত দেওয়া লাগতে পারে। বাকি টা ৯ থেকে ১২ মাসের কিস্তিতে শোধ করতে পারবেন।

ব্যস এতটুকুই। প্রথম সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা টা গুছিয়ে নিয়ে আপনি চলে যাবেন এবারে আপনার নিকটস্থ ফোন কোম্পানীর নিজস্ব শো রুমে অথবা কাছের স্মার্টফোন ক্রয় বিক্রয়ের দোকানে।

১. লুকানো খরচ (Hidden Costs): কিস্তি শুরুর আগে ভালো করে জেনে নিন ফোনের মূল দামের সাথে অন্য কোন অতিরিক্ত চার্জ আছে কি না।

২. ব্র্যান্ড ওয়ারেন্টি: কিস্তিতে কিনলেও অবশ্যই অফিসিয়াল ওয়ারেন্টি পাচ্ছেন কি না বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে নিবেন। অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি ছাড়া ফোন ক্রয় থেকে বিরত থাকবেন।

৩. ডাউন পেমেন্ট: কার্ড ছাড়া কিনলে ডাউন পেমেন্ট বা প্রথম ডিপোজিট কত দিতে হবে এবং পরবর্তীতে কিস্তি কত করে আসবে এবং মোট কত মাসে শোধ করতে হবে সবগুলি বিষয় ভালভাবে জেনে নিবেন।

৪. লকিং পলিসি: কার্ড ছাড়া ফোন কিনলে সাধারণত কিস্তি শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফোনটি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে থাকে সফটওয়্যার লক সিষ্টেমের মাধ্যমে। কিস্তি শোধ হবার পরেও কোন লকিং পলিসি প্রযোয্য হবে কিনা শিউর হয়ে নিবেন।

৫. ব্যাংক অফার: যারা ব্যাংক কার্ড দিয়ে ফোন নিবেন তারা অবশ্যই আপনার কার্ডে ফোন কেনার ক্ষেত্রে কোন ক্যাশব্যাক অফার আছে কি না জেনে নিবেন। তাহলে আপনার আরও কিছু টাকা সেভ হবে।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *