আমেরিকার দখলে ভেনিজুয়েলার ৬ লাখ বিটকয়েন | কি ঘটতে চলেছে ক্রিপ্টো বাজারে !
বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে বড় খবর এখন ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান। কিন্তু এই যুদ্ধের আড়ালে ও পর্দার অন্তরালে যা ঘটে চলেছে তা ক্রিপ্টোকারেন্সি ইনভেস্টরদের (Cryptocurrency Investor) কপালে চিন্তার ভাঁজ এনে দিয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এবং অন চেইন অ্যানালিস্টদের মতে: ভেনিজুয়েলার সরকারের কাছে নাকি প্রায় ৬ লক্ষ বিটকয়েন জমা করা ছিলো। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া মার্কিন হামলার সময়ে সেই ৬ লক্ষাধিক বিটকয়েন এখন নাকি মার্কিন প্রশাসনের কাছে? এরকমই গুঞ্জন ভেসে বেড়াচ্ছে অনলাইনে।
আলোচনা হচ্ছে যে দীর্ঘদিন ধরেই ভেনিজুয়েলা সরকার আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়াতে বিটকয়েনকে তাদের বিকল্প মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল। দেশটির বিশাল তেল সম্পদের বিনিময়ে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে বিটকয়েন মাইনিং (Bitcoin Mining) করে তারা এই বিশাল বিটকয়েন নিজ দেশের স্বার্থে জমা করেছিল। এটি বর্তমান ক্রিপ্টো মার্কেটের বিটকয়েন বাজারের সাপ্লাইয়ের প্রায় ৩ শতাংশের কাছাকাছি।
এতগুলি বিটকয়েন যদি সত্যিই আমেরিকার দখলে আসে তবে ভবিষ্যত ক্রিপ্টো মার্কেটের কি অবস্থা হবে?
সরবরাহ ও চাহিদা (Supply & Demand) অনুযায়ী একটা ধারনা দিচ্ছি: আমেরিকার জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট (DOJ) যদি এই পরিমান (Venezuela’s 600K Bitcoin) বিটকয়েনগুলো জব্দ করে এবং বাজারে একযোগে বিক্রি করার ঘোষণা দেয় বা ধরুন গোপনে বিক্রি করে দেয় তবে বিটকয়েনের দামে বিশাল পতন নিশ্চিত মাথায় রাখেন। বাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে এত বিশাল পরিমাণ বিটকয়েন সাপ্লাই কোন একক মালিকানা বা প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাওয়া মানে ক্রিপ্টো মার্কেটের উপড় কালোছায়া পড়ার মত।
বিনিয়োগকারীদের জন্য আতঙ্ক নাকি সুযোগ?
ইতিহাস থেকে অনুমান করা যায় ইতিপূর্বে যখন আমেরিকান এফবিআই (FBI) বা মার্কিন সরকার সিল্ক রোড কেস এ বিটকয়েন জব্দ করেছিল তখনও সাময়িকভাবে বাজারে দরপতন হয়েছিলো। তবে বিটকয়েনের জনপ্রিয়তার কারণে কিছুদিনের মধ্যে সেই ঘাটতি আর চোখে পড়েনি। উল্লেখ্য যে সেই কেসে বিটকয়েনের সংখ্যা ২০২৬ এর ঘটনার মত এতবড়ও ছিলনা। তাই এটি অবশ্যই চিন্তার বিষয় যদি ৬ লাখ বিটকয়েনের ব্যপারটি সত্যি সত্যিই ঘটে থাকে। কারণ বিশ্বের ইতিহাসে এতগুলি বিটকয়েন একসঙ্গে জব্দ করার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।
আর তাই অনুমান করা যাচ্ছে যে ভেনিজুয়েলার এই বিটকয়েন রহস্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ক্রিপ্টো মার্কেট অত্যন্ত অস্থিতিশীল থাকতে পারে। তাই ছোট বিনিয়োগকারীদের উচিত হবে সকল প্রকার লেভারেজ ট্রেড (Future Trade) থেকে দূরে থাকা, এমনিতেও ফিউচার ট্রেড জুয়া খেলার মত তাই এটি ইসলাম অনুসারীদের জন্য হারাম। একই সাথে স্পট ট্রেড (Sport Trade) ও খুবই সতর্কতার সাথে নেওয়া উচিৎ হবে। প্রয়োজনে ডলার হাতে রেখে সঠিক সময়ের অপেক্ষা করাটাই শ্রেয় হবে।
ভেনিজুয়েলায় মার্কিন হামলার কারণে সৃষ্ট কৃপ্ট মার্কেট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে আমোদের US-Venezuela WAR Impact on the Crypto Market পোষ্ট টি দেখুন।




Bitcoin next 150k to 200k hit confam
Thank you so much bhai
For your valuable information